• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Dead

কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
দেশ

কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ আগুন! প্রাণ বাঁচাতে জানলা ভেঙে ঝাঁপ, মৃত অন্তত ১৪

লখনউয়ে একটি কোচিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সোমবার দুপুরে আলিগঞ্জ এলাকার ওই কোচিং সেন্টারে আচমকাই আগুন লাগে। প্রাথমিকভাবে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ভবনের ভিতরে এখনও কিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, আগুন লাগার পর মুহূর্তের মধ্যে ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে বহু পড়ুয়া ভবনের একতলা থেকে নিচে ঝাঁপ দেন। সেই সময় হুড়োহুড়িতে অনেকে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে প্রকাশ্যে আসা কয়েকটি ভিডিওতে আতঙ্কের চিত্র ধরা পড়েছে। দেখা যাচ্ছে, আগুনের হাত থেকে বাঁচতে মরিয়া চেষ্টা করছেন ভিতরে আটকে থাকা মানুষজন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ ও দমকল বাহিনী। চারপাশের এলাকা খালি করে উদ্ধারকাজ শুরু হয়। তবে ঘিঞ্জি এলাকা এবং আগুনের তীব্রতার কারণে প্রথমদিকে দমকল কর্মীদের বেশ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ সময় ধরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালানো হয়।আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাঁদের চিকিৎসা শুরু করেছেন। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান এখনও চলছে এবং ভবনের ভিতরে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।কী কারণে এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং দ্রুত তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোক ও আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা জানতে এখন তদন্তের দিকেই তাকিয়ে প্রশাসন ও সাধারণ মানুষ।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

মুহূর্তে মৃত্যুফাঁদে পরিণত কারখানা! বিষাক্ত গ্যাসে একের পর এক শ্রমিক লুটিয়ে পড়লেন

রবিবার তামিলনাড়ুর তিরুভাল্লুর জেলায় একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিকের ঘটনায় অন্তত সাতজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অন্তত সাতান্ন জন শ্রমিক। তাঁদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ভেন্টিলেটরে রাখা হয়েছে।জানা গিয়েছে, পেরিয়াপালম এলাকার একটি সি-ফুড প্রক্রিয়াকরণ কারখানায় আচমকাই অ্যামোনিয়া গ্যাস লিক করতে শুরু করে। সেই সময় কারখানার ভিতরে কাজ করছিলেন বহু শ্রমিক। প্রথমে তাঁরা একটি তীব্র ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই একাধিক শ্রমিকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা এবং বমির মতো সমস্যা দেখা দেয়।ক্রমশ পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠলে কারখানার ভিতরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অসুস্থ শ্রমিকদের দ্রুত উদ্ধার করে নিকটবর্তী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা আহত ও অসুস্থদের চিকিৎসা শুরু করেন।প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, কারখানার একটি পরিমাপক ভাল্ভ থেকে অ্যামোনিয়া গ্যাস বেরিয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে ঠিক কী কারণে গ্যাস লিক হল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যপাল রাজেন্দ্র আরলেকর গভীর শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। পাশাপাশি হাসপাতালে ভর্তি শ্রমিকদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন তিনি।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২১, ২০২৬
দেশ

অবতরণের আগেই ভয়াবহ বিপর্যয়! অসমে বায়ুসেনার বিমান ভেঙে পড়ে মৃত্যু পাঁচ সেনাকর্মীর

অসমের জোরহাটে ভারতীয় বায়ুসেনার একটি পরিবহণ বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে পাঁচ সেনা কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে জোরহাট বিমানঘাঁটিতে অবতরণের সময় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মুহূর্তের মধ্যেই বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও পাঁচজনকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।ভারতীয় বায়ুসেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার প্রশান্ত সিং, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট শুভম কুমার, সার্জেন্ট জিতেন্দ্র শর্মা, অগ্নিবীরবায়ু খেমারাম কুমোয়াত এবং অগ্নিবীরবায়ু ডেনিস আলম। নিহত সেনা কর্মীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছে বায়ুসেনা।বায়ুসেনা সূত্রে খবর, শনিবার সকাল প্রায় দশটা নাগাদ একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সময় বিমানটি দুর্ঘটনার মুখে পড়ে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় জোরহাট বিমানঘাঁটির মধ্যেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। এরপরই দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা বিমানে।দুর্ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল ও উদ্ধারকারী দল। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও বিমানে থাকা পাঁচ সেনা কর্মীর প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা।অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানিয়েছেন, জোরহাটে বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই রাজ্য প্রশাসন প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ শুরু করেছে। ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগেই অসমের কার্বি আংলং জেলায় একটি যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বায়ুসেনার বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এল অসমে।দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো পাঁচ বায়ুসেনা কর্মীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকপ্রকাশ করেছেন বিভিন্ন মহলের মানুষ। তাঁদের এই আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে মত অনেকের।

জুন ১৩, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর তিস্তা থেকে উঠল গাড়ি, ভিতরে মিলল শিশুসহ একই পরিবারের ৪ জনের নিথর দেহ

চিকিৎসাধীন এক আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিল একটি পরিবার। কিন্তু সেই যাত্রাই শেষ পর্যন্ত পরিণত হল মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। দুদিন নিখোঁজ থাকার পর রবিবার তিস্তা নদী থেকে উদ্ধার করা হল তাঁদের গাড়ি। গাড়ির ভিতর থেকেই উদ্ধার হয়েছে পাঁচ বছরের এক শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ।মৃতদের নাম সব্য নিউপানে, স্মরিকা নিউপানে, টিকা মায়া দাহাল এবং পাঁচ বছরের দিত্য ছেত্রী। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, প্রবল বৃষ্টির জেরে ধস নামায় গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তিস্তার গভীর খাদে পড়ে যায়।পরিবারটি শুক্রবার নিজেদের গাড়িতে করে সিকিম থেকে শিলিগুড়ির দিকে আসছিল। পথে রোম্বি এবং বাঘপুলের মাঝামাঝি ভেলাবাড়ি এলাকায় বিকেলের দিকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে শেষবার ফোনে কথা হয়েছিল তাঁদের। এরপর থেকেই মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সেই সময় এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হচ্ছিল। পাহাড়ি ঝরনাগুলিও ফুলেফেঁপে উঠেছিল। স্থানীয়দের ধারণা, সেই সময় আচমকা ধস নেমে আসায় গাড়িটি রাস্তা থেকে ছিটকে তিস্তার খাদে পড়ে যায়।পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় শুক্রবার রাত থেকেই উদ্বেগ বাড়তে শুরু করে। আত্মীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার সকাল থেকে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ, সিকিম প্রশাসন এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজে নামে।ডেপুটি কমান্ড্যান্ট সঞ্জয় রঞ্জনের নেতৃত্বে নদীর বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালানো হয়। অনুসন্ধানের সময় নদীর ধারে গাড়ির ব্যাটারি এবং কিছু ভাঙা অংশ উদ্ধার হয়। তাতেই দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও জোরালো হয়ে ওঠে। পরে নদীগর্ভে তল্লাশি চালিয়ে দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়িটির সন্ধান পাওয়া যায়।রবিবার সকালে ফের উদ্ধার অভিযান শুরু করা হয়। ডুবুরিদের নামানো হয় নদীতে। শেষ পর্যন্ত কালীবাড়ি এলাকার সামনে নদীর তলা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। গাড়ির ভিতরেই পাওয়া যায় চার জনের দেহ।উদ্ধার হওয়া দেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিপর্যয় মোকাবিলা দলের কমান্ড্যান্ট অজয় কুমার জানিয়েছেন, শনিবার থেকে টানা তল্লাশি চলছিল। রাতে অভিযান স্থগিত রাখা হলেও রবিবার সকালে আবার উদ্ধারকাজ শুরু হয়। ডুবুরিদের সাহায্যে গাড়ি এবং মৃতদেহগুলি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।এই মর্মান্তিক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দুই পরিবারে। একটি সাধারণ সফর যে এমন ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে, তা কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

জুন ০৮, ২০২৬
দেশ

২১ জনের মৃত্যু, তারপর সামনে এল বিস্ফোরক তথ্য! অনুমতি ছিল মাত্র ৬ ঘরের, চলছিল ২৫ ঘরের হোটেল?

দিল্লির ভয়াবহ হোটেল অগ্নিকাণ্ডে বহু মানুষের প্রাণহানির ঘটনার পর সামনে আসতে শুরু করেছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট না হলেও প্রাথমিক তদন্তে হোটেলের নির্মাণ ও অনুমোদন সংক্রান্ত একাধিক প্রশ্ন উঠে এসেছে।বুধবার দক্ষিণ দিল্লির মালব্যনগর এলাকার একটি হোটেলে ভয়াবহ আগুন লাগে। দুর্ঘটনায় অন্তত একুশ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও বহু মানুষ। আগুন লাগার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হলেও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, হোটেলটির অনুমোদন ও বাস্তব নির্মাণের মধ্যে বড় ফারাক ছিল। অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন ছিল সীমিত সংখ্যক কক্ষের জন্য, অথচ বাস্তবে অনেক বেশি ঘর তৈরি করে ব্যবসা চালানো হচ্ছিল। এই তথ্য সামনে আসার পর প্রশাসনিক তদারকি এবং নিয়ম মেনে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।স্থানীয়দের দাবি, বুধবার সকাল নাগাদ ভবনের নীচতলায় থাকা একটি রেস্তোরাঁ থেকে প্রথম ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ভবনের বিভিন্ন তলায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় একাধিক দমকল ইঞ্জিন। শুরু হয় উদ্ধার অভিযান।দমকল কর্মীরা ভবনের ভিতর থেকে বহু মানুষকে উদ্ধার করেন। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুর্ঘটনার পরও কিছু মানুষ ভবনের উপরের তলায় আটকে ছিলেন বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধী নেতাদের একাংশের অভিযোগ, নিয়ম ভেঙে নির্মাণ এবং প্রশাসনিক গাফিলতির কারণেই এত বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। যদিও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও চূড়ান্ত মন্তব্য করা হয়নি।স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছেও একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি ভবন ব্যবসা চালিয়ে গেল, তা নিয়েও জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রশাসনের কোনও অংশের গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।ঘটনার পর নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। আহতদের চিকিৎসা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।এদিকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীও এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।দিল্লির এই অগ্নিকাণ্ড ফের একবার প্রশ্ন তুলে দিল, নিরাপত্তা বিধি এবং নির্মাণ সংক্রান্ত নিয়মকানুন কতটা কঠোরভাবে মানা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট সামনে এলে এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং দায় কার, তা আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ০৩, ২০২৬
দেশ

ভয়াবহ ঝড়ে মৃত্যু অন্তত ৬০! লণ্ডভণ্ড উত্তর প্রদেশ, আতঙ্কে লক্ষ মানুষ

প্রবল ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতে বিপর্যস্ত উত্তর প্রদেশ। বুধবার বিকেল থেকেই আচমকা খারাপ হতে শুরু করে আবহাওয়া। সন্ধের পর ঝড়ের তাণ্ডবে কার্যত লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় রাজ্যের একাধিক জেলা। এখনও পর্যন্ত অন্তত ৬০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহত হয়েছেন বহু মানুষ। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রশাসনের।ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে। ভেঙে গিয়েছে কাঁচা বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে অসংখ্য ঘরবাড়ি। বহু এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিদ্যুৎ পরিষেবা। রাস্তায় গাছ পড়ে যান চলাচলও ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়। কোথাও কোথাও রেললাইনের উপর গাছ ভেঙে পড়ায় কিছু সময়ের জন্য ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখতে হয়।ঝড়ের পাশাপাশি প্রবল বৃষ্টিতেও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে একাধিক এলাকা। কয়েকটি জেলায় শিলাবৃষ্টিরও খবর মিলেছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতির খবর এসেছে প্রয়াগরাজ, কানপুর, দেহাত ও ফতেহপুর থেকে। কোথাও বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে, কোথাও আবার গাছ বা ভেঙে পড়া দেওয়ালের তলায় চাপা পড়ে প্রাণ গিয়েছে বহু মানুষের।প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে কৃষিক্ষেত্রেও। বিঘার পর বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বহু কৃষক বড় ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখতে প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছেন। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষিক্ষেত্রে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা দ্রুত রিপোর্ট আকারে জমা দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।এদিকে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিনও রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টি চলতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পাশাপাশি ঝোড়ো হাওয়ারও সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

মোদীর সভার আগেই চাঞ্চল্য! হলদিয়ায় উদ্ধার বিজেপি কর্মীর রক্তাক্ত দেহ

প্রধানমন্ত্রীর সভার মাত্র একদিন আগে পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল এক মৃত্যুকে ঘিরে। হলদি নদীর পাড় থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির রক্তাক্ত দেহ। মৃতের নাম মহাদেব বিশ্বাস, বয়স প্রায় সাতচল্লিশ বছর। তাঁকে বিজেপি কর্মী বলে দাবি করেছে দল। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তুলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিজেপি। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে শাসকদল।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে মহাদেবের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। বুধবার তাঁর স্ত্রী নদীর পাড়ে গিয়ে প্রথম দেহটি দেখতে পান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ভিড় জমে। পরে পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। প্রাথমিকভাবে শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনার জেরে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়েছে এলাকায়। আগামীকাল হলদিয়ায় সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেই সভার আগে এই মৃত্যু নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে।বিজেপি নেতাদের দাবি, এটি পরিকল্পিত খুন। তাঁদের অভিযোগ, এলাকায় ভয়ের পরিবেশ তৈরি করতে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁরা কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তের দাবিও তুলেছেন।অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনায় রাজনীতির কোনও যোগ নেই। স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, মৃত ব্যক্তি মাছ ধরার কাজে বেরিয়েছিলেন এবং তাঁর মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টেই স্পষ্ট হবে। তাঁরা চান, ঘটনার সঠিক তদন্ত হোক এবং পরিবার বিচার পাক।এই ঘটনার পর ভোটের আগে এলাকায় উত্তেজনা আরও বেড়ে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

ছেলেকে দেখতে এসে লিফটে মৃত্যু! ভয়ংকর অভিযোগ আরজি কর নিয়ে

কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে আবারও চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এল। লিফটে আটকে এক রোগীর পরিজনের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গভীর রাতে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে।জানা গেছে, অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় নামে ওই ব্যক্তি তাঁর ছেলেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন। তাঁদের বাড়ি নাগের বাজার এলাকায়। রাতের দিকে পরিবারের অন্য সদস্যরা লিফট থেকে বেরিয়ে এলেও অরূপবাবু বেরোতে পারেননি। তিনি লিফটের ভিতরেই আটকে পড়েন।অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে তিনি লিফটের ভিতরে আটকে ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা বারবার ডাকাডাকি করেন, তিনিও সাহায্যের জন্য চিৎকার করেন। কিন্তু কোনও সাড়া মেলেনি বলে দাবি পরিবারের। পরে লিফট খুললে তাঁকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অন্য রোগীর পরিজনেরা জানিয়েছেন, ওই সময় লিফটে কোনও লিফটম্যান ছিলেন না এবং নিরাপত্তারক্ষীর কাছেও চাবি ছিল না। ফলে দ্রুত লিফট খোলা সম্ভব হয়নি।পরিবারের দাবি, অরূপবাবু সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন। তাঁর ছেলের হাত ভেঙে যাওয়ায় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসেছিলেন। সময়মতো লিফট খুলতে পারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা এড়ানো যেত বলে অভিযোগ।এই ঘটনার পর হাসপাতালে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। রোগীর পরিজনেরা নিরাপত্তা এবং পরিষেবা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মার্চ ২০, ২০২৬
বিদেশ

কাবুলে ভয়াবহ বিমান হামলা, হাসপাতালে আগুনে পুড়ে মৃত্যু অন্তত চারশো মানুষের

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই নতুন করে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে। তারই মধ্যে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি ভয়াবহ বিমান হামলার ঘটনা সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান একটি হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় চিকিৎসক সহ অন্তত চারশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আহত হয়েছেন আড়াইশোরও বেশি মানুষ। সোমবার রাতে পরপর বিস্ফোরণে হাসপাতালটি কার্যত আগুনে পুড়ে যায়।আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কাবুলের ওই হাসপাতালে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এই হামলা আফগানিস্তানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ। এর আগে দুই হাজার একুশ সালে কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলায় একশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, কিন্তু এবার তার থেকেও বড় বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।গত মাস থেকেই দুই দেশের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে। আফগানিস্তানের অভিযোগ, পাকিস্তান বারবার সীমান্ত পেরিয়ে হামলা চালাচ্ছে। তবে এই হাসপাতাল হামলার অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কোনও হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়নি। তাদের দাবি, জঙ্গি ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত সামরিক স্থাপনাতেই এই হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মুখপাত্র কাবুলের অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন।আফগানিস্তান সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, সোমবার রাত প্রায় নয়টা নাগাদ এই হামলার ঘটনা ঘটে। যে হাসপাতালে হামলা হয়েছে, সেখানে প্রায় দুই হাজার মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা ছিল। সেই হাসপাতালেই এত মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে উদ্ধারকারী দল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ থেকে দেহ উদ্ধারের কাজ চালাচ্ছে।এর আগেও পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান আফগানিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কান্দাহার বিমানবন্দর, পাক্তিয়ার সামরিক ঘাঁটি এবং কাবুলের বিভিন্ন এলাকায় হামলার কথা জানা গেছে। কান্দাহার শহরে তালিবান গোষ্ঠীর একটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, তা নিয়েই এখন নজর সকলের।

মার্চ ১৭, ২০২৬
দেশ

উড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই নিখোঁজ যুদ্ধবিমান! অসমে ভেঙে পড়তেই মৃত্যু দুই বায়ুসেনা পাইলটের

অসমে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার একটি সুখোই যুদ্ধবিমান। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উড়ানের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এরপরই শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পরে জানা যায়, অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে যুদ্ধবিমানটি। এই দুর্ঘটনায় দুই পাইলটের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা নাগাদ বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। জানা যায়, যুদ্ধবিমানটি উড়েছিল অসমের জোরহাট বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে। উড়ানের কিছুক্ষণ পরই বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। শেষবার রাত সাতটা বেয়াল্লিশ মিনিটে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়েছিল। তারপর থেকেই বায়ুসেনার হেলিকপ্টার দিয়ে শুরু হয় তল্লাশি অভিযান।বায়ুসেনা জানিয়েছে, শেষবার যোগাযোগের সময় যুদ্ধবিমানটির অবস্থান ছিল অরুণাচল প্রদেশ সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায়। পরে সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রশিক্ষণ উড়ানের সময় জোরহাট থেকে প্রায় ষাট কিলোমিটার দূরে অসমের কার্বি আংলং জেলায় ভেঙে পড়েছে বিমানটি।এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন দুই পাইলট। বায়ুসেনার তরফে জানানো হয়েছে, মৃতদের মধ্যে রয়েছেন অনুজ এবং পূর্বেশ দুরাগকর। সামাজিক মাধ্যমে শোকবার্তা দিয়ে বায়ুসেনা জানিয়েছে, দুই সাহসী সদস্যকে হারিয়ে তারা গভীরভাবে শোকাহত। তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।এই দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। তিনি নিহত পাইলটদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে বর্তমানে দুই শতাধিক সুখোই যুদ্ধবিমান রয়েছে। এর আগেও এই ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুই হাজার চব্বিশ সালের জুন মাসে মহারাষ্ট্রের নাসিক জেলায় একটি সুখোই যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়েছিল। তারও আগে দুই হাজার তেইশ সালের জানুয়ারিতে গোয়ালিয়র বিমানঘাঁটি থেকে উড়ানের পর আর একটি সুখোই যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়ে যায়।অসমের এই দুর্ঘটনা আবারও যুদ্ধবিমান নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল বলে মনে করছে অনেকেই। তদন্তের মাধ্যমে দুর্ঘটনার আসল কারণ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে বায়ুসেনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

বিশ্ব কাঁপানো খবর! যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা, ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ হামলায় নিহত হলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই তাঁর মৃত্যুর দাবি করেছিলেন। রবিবার সকালে ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনও খামেনেইয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। তাঁর মৃত্যুতে দেশে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, সুপ্রিম লিডার শহিদ হয়েছেন। ইরানের আর একটি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি দাবি করেছে, সুপ্রিম লিডারের বাসভবনে যে হামলা চালানো হয়েছিল, সেখানেই প্রাণ হারান তিনি। শুধু খামেনেই নন, ওই হামলায় তাঁর মেয়ে, জামাই, নাতি এবং পুত্রবধূরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের শাসনভার সামলাচ্ছিলেন খামেনেই। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দীর্ঘ দিন তিনি দেশের নীতি ও সামরিক কৌশল নির্ধারণ করেছেন। তবে তিনি কোনও উত্তরসূরীর নাম ঘোষণা করে যাননি। ফলে তাঁর মৃত্যুর পর ইরানের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের আশঙ্কা, এর জেরে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। আমেরিকা ও ইজরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বড় ধরনের পাল্টা হামলা চালাতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরমাণু সংঘাতের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।এর আগেই জানা গিয়েছিল, যৌথ অভিযানে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ এবং রেভোলিউশনারি গার্ডের কমান্ডার মহম্মদ পাকপৌরের মৃত্যু হয়েছে। ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, অভিযানে ইরানের আরও পাঁচ শীর্ষ আধিকারিক নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সুপ্রিম লিডারের এক ঘনিষ্ঠ পরামর্শদাতাও রয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের এই সংঘাত যে বিশ্ব রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

মার্চ ০১, ২০২৬
রাজ্য

চোর সন্দেহে গণপ্রহার, দশ দিনের লড়াই শেষে প্রাণ গেল যুব ইঞ্জিনিয়ারের

নাইট ডিউটিতে যাওয়ার পথে গণপ্রহারের শিকার হয়ে প্রাণ হারালেন এক যুব ইঞ্জিনিয়ার। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশিয়াড়ী ব্লকের খাজরা গ্রাম পঞ্চায়েতের গিলাগেড়িয়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। মৃতের নাম সৌম্যদীপ চন্দ, বয়স তেত্রিশ। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়াতেই পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আট ফেব্রুয়ারি রাতে খড়গপুরে কাজে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন তিনি। অভিযোগ, খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত আনারকলি এলাকায় একদল মানুষ তাঁকে চোর সন্দেহে আটকায় এবং বেধড়ক মারধর করে। পরিবারের দাবি, তিনি নিজের পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা শোনা হয়নি এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করা হয়।গুরুতর জখম অবস্থায় প্রথমে তাঁকে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত হাইটেক হাসপাতাল ভুবনেশ্বর এ স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় দশ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর শুক্রবার রাত দশটা চৌত্রিশ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার রাতে তাঁর দেহ গ্রামে পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা।সৌম্যদীপের কাকা হরেকৃষ্ণ চন্দ জানান, হাসপাতালে গিয়ে তাঁর অবস্থা দেখে তাঁরা ভেঙে পড়েছিলেন। পরিবারের দাবি, এই নৃশংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হোক। ঘটনায় এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিও উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

মেঘালয়ের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণ, ধসে চাপা অন্তত ১৬ শ্রমিক, নিখোঁজ আরও বহু

মেঘালয়ের তাসখাই এলাকার একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের জেরে ধস নামল খনির ভিতরে। এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বহু শ্রমিক এখনও নিখোঁজ। তাঁদের অনেকেই খনির ভিতরে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি বিচার করে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছেন উদ্ধারকারী দল। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিকদের অধিকাংশই অসমের বাসিন্দা।দুর্ঘটনার পরেই খনির মুখ থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে শুরু করে। বাইরে থাকা শ্রমিকেরা আতঙ্কিত হয়ে খনির সামনে ভিড় জমান। ঘটনাস্থলে কয়েকজন মহিলা ও শিশুকেও দেখা যায়। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণটি খনির ভিতরেই ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মেঘালয় পুলিশ। দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও উদ্ধারকাজে হাত লাগায়। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে উদ্ধার অভিযান।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খনির ভিতরের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক। সেখানে এখনও দাহ্য গ্যাস জমে আছে কি না, নতুন করে বিস্ফোরণের আশঙ্কা রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃত শ্রমিকদের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। অনুমান করা হচ্ছে, খনির ভিতরে দাহ্য গ্যাস জমে আচমকা বিস্ফোরণ হতে পারে। আবার অবৈধ ভাবে বিস্ফোরক ব্যবহারের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা। কারণ যাই হোক, আপাতত নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে সব রকম চেষ্টা চালাচ্ছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৫, ২০২৬
বিদেশ

গদ্দাফির পুত্রকে বাড়িতে ঢুকে গুলি! লিবিয়ায় ফের রক্তাক্ত রাজনীতি

লিবিয়ার প্রাক্তন একনায়ক মুয়াম্মার গদ্দাফির পুত্র ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা সইফ আল-ইসলাম গদ্দাফিকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর বাড়িতে ঢুকে চার জন বন্দুকবাজ এই হামলা চালায় বলে সইফের রাজনৈতিক দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৫৩ বছর। এক সময় তাঁকেই লিবিয়ার ভবিষ্যৎ শাসক হিসেবে দেখা হতো।সইফের বোন জানিয়েছেন, আলজেরিয়া সংলগ্ন সীমান্তবর্তী এলাকায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে কারা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বা এর পিছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি আসেনি।২০১১ সালে মুয়াম্মার গদ্দাফির পতনের মাধ্যমে লিবিয়ায় দীর্ঘ কয়েক দশকের একনায়কতন্ত্রের অবসান ঘটে। বিদ্রোহীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন গদ্দাফি। সেই ঘটনার বহু বছর পর আবারও গদ্দাফি পরিবারের নাম উঠে এল সইফ আল-ইসলামের মৃত্যুকে ঘিরে।যদিও সইফ আল-ইসলাম কোনও সরকারি পদে ছিলেন না, তবুও তেলসমৃদ্ধ উত্তর আফ্রিকার এই দেশের রাজনীতিতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী এক মুখ। বিভিন্ন রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে একত্রিত করার ক্ষমতা ছিল তাঁর। বিরোধীদের জন্য তিনি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারতেন বলেই তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।১৯৭২ সালে জন্ম সইফ আল-ইসলামের। তিনি ছিলেন মুয়াম্মার গদ্দাফির দ্বিতীয় সন্তান। এক সময় তাঁকেই লিবিয়ার কার্যত পরবর্তী শাসক হিসেবে ধরা হতো। গদ্দাফি সরকারের মধ্যে তিনি সংস্কারপন্থী নেতা হিসেবেও পরিচিত ছিলেন।২০১১ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশ ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন সইফ। তবে তিনি ধরা পড়েন এবং দীর্ঘদিন বন্দি ছিলেন। পরে মুক্তি পেয়ে নিজের বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। সেখানেই আততায়ীদের হামলায় প্রাণ হারালেন গদ্দাফির পুত্র। এই মৃত্যুর পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা চলছে।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

নাইট শিফটে ঢুকেছিলেন, আর বেরোননি! আনন্দপুর কাণ্ডে বাড়ছে নিখোঁজের সংখ্যা

নয় ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরে একটি নামজাদা মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থার কারখানায় আগুন লাগে। পরে জানা যায়, ওই একই গোডাউনে একটি ডেকরেটর সংস্থার কর্মীরাও কাজ করতেন। ফলে আগুনের ভয়াবহতা আরও বেড়ে যায়। কার্যত জতুগৃহে পরিণত হয়েছে শহর কলকাতার একাংশ।গত কয়েক দিনে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্কিত শহরবাসী। তবে সবকটিকে ছাপিয়ে গিয়েছে আনন্দপুরের এই ঘটনা। রাত থেকে জ্বলছে গোটা কারখানা। সামনের দিকের আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও ভিতরের অংশে এখনও দমকল পৌঁছতে পারেনি। ১২টি ইঞ্জিন নামানো হলেও আগুনের উৎসস্থল পর্যন্ত যাওয়া সম্ভব হয়নি দমকলকর্মীদের।প্রথমে জানা গিয়েছিল, রাতের নাইট শিফটে মোমো সংস্থার তিনজন কর্মী কারখানার ভিতরে ছিলেন। আগুন লাগার সময় তাঁরা গোডাউনেই আটকে পড়েন। এক কর্মীর পরিবারের অভিযোগ, শেষবার ফোনে তিনি জানিয়েছিলেন কারখানার গেট বাইরে থেকে তালা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শুরুতে নিখোঁজের সংখ্যা তিনজন বলা হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত এই অগ্নিকাণ্ডে ১৩ জন কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন এবং তিনজনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে তিনজন ওই মোমো সংস্থার কর্মী এবং বাকি দশজন ডেকরেটর সংস্থার বলে জানা গিয়েছে। তবে পুলিশ এখনও এই সংখ্যা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। ফলে প্রকৃত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নাইট শিফটে থাকা কর্মীদের মধ্যে একজন ছিলেন পঙ্কজ হালদার। সোমবার সকালে জ্বলন্ত কারখানার সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন তাঁর দাদা। মুখে চরম আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা। তিনি জানান, এখনও ভাইয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। দমকল বা পুলিশের কাছ থেকেও কোনও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

তিস্তা নিয়ে বড় চাল চিনের! বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা, ভারতের উদ্বেগ আরও বাড়ল

তিস্তা নদীকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের তিস্তা নদীর ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে পাশে থাকার বার্তা দিল চিন। সোমবার বেজিং স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ঢাকাকে সবরকম সাহায্য করতে তারা প্রস্তুত। একই সঙ্গে চিনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগ কোনও তৃতীয় দেশকে লক্ষ্য করে নয় এবং বিষয়টিকে অযথা অন্য দৃষ্টিতে দেখা উচিত নয়।বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকেই তিস্তা প্রকল্প নিয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। শেখ হাসিনা সরকারের সময় এই প্রকল্পে ভারতের সহযোগিতার কথা ভাবা হলেও বর্তমান প্রশাসন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে চিনের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে। এরপর থেকেই ভারতের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ, তিস্তা অববাহিকার অবস্থান ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার খুব কাছাকাছি।চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন এক সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, বাংলাদেশ ও চিনের সহযোগিতা কোনও তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয়। তাঁর দাবি, তিস্তা নদীর উন্নয়ন বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। সেই কারণে বাংলাদেশ চাইলে এই প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে চিন।শুধু তিস্তাই নয়, জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য, অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক একাধিক ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বেজিং। দুই দেশের মধ্যে এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে চিন।বাংলাদেশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিস্তা-সহ একাধিক নদী উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা ও বেজিংয়ের মধ্যে ইতিমধ্যেই সমঝোতা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ জল উন্নয়ন বোর্ড এবং চিনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা পাওয়ার চায়নার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সেই চুক্তির পর থেকেই তিস্তা প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তিস্তা প্রকল্প ঘিরে বাংলাদেশ ও চিনের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার দিকে কড়া নজর রাখছে ভারত। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির ভৌগোলিক অবস্থান এবং কৌশলগত গুরুত্বের কারণে ভবিষ্যতে এই বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

হাইকোর্টে একদিনে জোড়া ধাক্কা! অভিষেককে কালই দিতে হবে কণ্ঠস্বরের নমুনা, মিলল না কোনও স্বস্তি

কলকাতা হাইকোর্টে একদিনে পরপর দুই বড় ধাক্কার মুখে পড়লেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ হয়। এরপর ডিজে মন্তব্য মামলায়ও স্বস্তি পাননি তিনি। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী মঙ্গলবার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য তাঁকে হাজিরা দিতেই হবে।বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, চার মে ভোটের ফল ঘোষণার পর রবীন্দ্রসঙ্গীতের সঙ্গে ডিজে বাজবে। সেই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধ আইনে অভিযোগ দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। বিধাননগর আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করায় মঙ্গলবার আদালতে উপস্থিত হয়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা দিতে হবে তাঁকে।এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আইনজীবীর দাবি ছিল, সংশ্লিষ্ট মন্তব্য যে তাঁরই, তা তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন। তাই নতুন করে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি তদন্তকারী সংস্থার তরফে কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ার আবেদনও জানানো হয়।তবে আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করেনি। বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, মামলার বিস্তারিত শুনানি মঙ্গলবার হবে। তবে তার আগে তদন্তের প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা নেই। ফলে নির্ধারিত সময়ে কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাজিরা দিতেই হবে।একই দিনে আরও একটি মামলায় ধাক্কা খান অভিষেক। চোখের চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতির আবেদন দ্রুত শুনানির আর্জি জানানো হলেও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তা খারিজ করে দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মামলার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ীই শুনানি হবে। এর আগেও একই ধরনের দ্রুত শুনানির আবেদন করা হলেও আদালত তা গ্রহণ করেনি। ফলে আপাতত আদালত থেকে কোনও স্বস্তি পেলেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাইয়ের আগেই বড় ধাক্কা! কুণাল, দোলা, বৈশ্বানরের বিরুদ্ধে মামলা, শুরু নতুন বিতর্ক

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই নতুন বিতর্ক তৈরি হল। বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযোগ, পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাওয়ার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভাস্থলের মাপজোকের কাজ শুরু করা হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এই পদক্ষেপ।রবিবার একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ, তখনও ওই কর্মসূচির জন্য প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অনুমতি মেলেনি। তবুও রাস্তার একটি অংশে ফিতে দিয়ে মাপজোক করা হয়। এই ঘটনায় ট্রাফিক পুলিশের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তিন নেতাকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।সোমবার বিধানসভাতেও এই বিষয়টি নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে হলে নিয়ম মেনে প্রশাসনের অনুমতি নিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা থাকাকালীন বহুবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। বর্তমান সরকারও নিয়ম মেনেই বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি দিচ্ছে বলে জানান তিনি।মুখ্যমন্ত্রী আরও প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কীভাবে সভাস্থলের মাপজোক করা হল। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই আবেদন করতে হবে এবং প্রশাসন সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। বিধানসভায় এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ পরেই কুণাল ঘোষ, দোলা সেন এবং বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের খবর সামনে আসে।একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের বিভিন্ন শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পদক্ষেপের ফলে একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক সমীকরণ আরও উত্তপ্ত হতে পারে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বিধানসভায় শুভেন্দুর বিস্ফোরক মন্তব্য! ‘কালি গেলে দোয়াতও যাবে’, কাকে ইঙ্গিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী?

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের টানাপোড়েনের মধ্যেই সোমবার বিধানসভায় নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল আগেভাগে একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে পৌঁছনো নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরেও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি। সেই বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, একুশে জুলাইয়ের সভাস্থলে আগে থেকেই যাওয়ার অনুমতি কারা দিয়েছিল। এই প্রসঙ্গেই তিনি কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের নেতাদের উপস্থিতির বিষয়টি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক গ্রেফতারির ঘটনাও টেনে আনেন তিনি।তারাতলার কারখানা বিপর্যয়ের ঘটনায় নাম জড়ানো এবং তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কটাক্ষ করে তিনি বলেন, কেউ কেউ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আরও গ্রেফতারের দাবি তুলছেন। এমনকি কুণাল ঘোষকে উদ্দেশ্য করে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, যদি সব সিদ্ধান্ত তিনিই নিতে চান, তাহলে মুখ্যমন্ত্রীর আসনেও বসে যেতে পারেন।এরপরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কেউ যদি কালীচরণের সঙ্গে অন্যদের নামও জুড়ে দেন, তাহলে তদন্তের স্বার্থে সকলের বিরুদ্ধেই সমানভাবে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তা প্রমাণের ভিত্তিতেই বিচার হবে। কোনও ব্যক্তি প্রভাবশালী হলেই তাঁকে ছাড় দেওয়া হবে না।তবে নিজের বক্তব্যের শেষেই মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, প্রমাণ ছাড়া কোনও পদক্ষেপ করবে না সরকার। তিনি বলেন, তদন্ত চলছে এবং যথেষ্ট প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, নির্দোষ বা ভদ্র মানুষের বিরুদ্ধে সরকার কোনও অন্যায় পদক্ষেপ করবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে বড় ঘোষণা! কবে চালু হবে, কারা থাকবেন আইনের বাইরে জানালেন শুভেন্দু

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালু করার প্রতিশ্রুতি আগেই দিয়েছিল রাজ্যের বিজেপি সরকার। সোমবার বিধানসভায় এই বিল পেশ হতে পারে বলে জোর জল্পনা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত তা আনা হয়নি। তবে অধিবেশনের শেষ পর্বে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতেই সরকার বদ্ধপরিকর। বিলের খসড়া তৈরির জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী সংকল্পপত্রে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি আনবেই। আগামী দুই জুলাই মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিলের খসড়া অনুমোদনের জন্য তোলা হবে। উত্তরাখণ্ড, অসম এবং গুজরাটে চালু হওয়া অভিন্ন দেওয়ানি বিধির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখে পশ্চিমবঙ্গের জন্য নতুন আইন তৈরি করা হবে। তাঁর দাবি, একই রাজ্যে ধর্মভেদে আলাদা আইন চলতে পারে না। তাই সকলের জন্য এক আইনের ব্যবস্থা করাই সরকারের লক্ষ্য।তবে এই আইন থেকে কিছু শ্রেণির মানুষকে ছাড় দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, মূলবাসী, আদিবাসী, কুড়মি-সহ প্রাচীন জনজাতির মানুষ এই প্রস্তাবিত আইনের আওতার বাইরে থাকবেন। এই বিষয়ে সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা প্রকাশ দেশাইয়ের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকবেন অবসরপ্রাপ্ত প্রশাসনিক আধিকারিক, আইন বিশেষজ্ঞ, শিক্ষাবিদ, সমাজকর্মী এবং প্রশাসনের প্রতিনিধি। বিয়ে, বিবাহবিচ্ছেদ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব, দত্তক গ্রহণ-সহ মোট নয়টি বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে এই কমিটি।সরকার জানিয়েছে, চার সপ্তাহের মধ্যে কমিটি তাদের সুপারিশ জমা দেবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে অগস্ট মাসে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল বিধানসভায় আনার প্রস্তুতি নেওয়া হবে। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, মানুষের মতামতও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে। যাঁদের কোনও মতামত বা আপত্তি রয়েছে, তাঁরা কমিটির কাছে তা জানাতে পারবেন।এদিকে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করার পক্ষে সওয়াল করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য, এই আইন শুধু বিজেপির রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, সমাজের বহু মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি। তাই দ্রুত এবং সর্বসম্মতিক্রমে এই আইন কার্যকর হওয়া উচিত বলেই মত প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে সরকারের এই ঘোষণার পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

জয়প্রকাশ মজুমদারের বিপদ আরও বাড়ল! এবার মামলার শুনানি থেকেও সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি

জেলবন্দি তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের আইনি লড়াইয়ে নতুন মোড় এল। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে শুনানির আগেই কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তিনি এই মামলা না শোনার কথা জানিয়েছেন। ফলে এখন এই মামলার শুনানি কোন বিচারপতির এজলাসে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান বিচারপতি।জয়প্রকাশ মজুমদার বর্তমানে বাড়ি দখলের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়ে জেলবন্দি। তাঁর জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত শুনানির আগেই বিচারপতির সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে মামলায় নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।চলতি মাসের তিন তারিখ সল্টলেক এলাকা থেকে জয়প্রকাশ মজুমদারকে আটক করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। পরে বাড়ির মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, দীর্ঘ বারো বছর ধরে একটি বাড়ি দখল করে রাখা হয়েছিল। বাড়ির মালিক ভাড়া চাইতে গেলে তাঁকে হুমকি দেওয়া হত বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।গ্রেপ্তারের পর পুলিশ জয়প্রকাশ মজুমদারকে নিয়ে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। সেই সময় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত জনতার একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখায় এবং তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।গ্রেপ্তারের পর আইনি সুরাহার জন্য তিনি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়ে জামিনের আবেদন করেন। সেই মামলার শুনানির আগেই বিচারপতি ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সরে দাঁড়ানোয় মামলার পরবর্তী শুনানি নিয়ে নতুন করে অপেক্ষা শুরু হয়েছে। এখন প্রধান বিচারপতির নির্দেশ অনুযায়ী নতুন বেঞ্চে এই মামলার শুনানির দিন নির্ধারিত হবে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

বড় সিদ্ধান্ত! তৃণমূলের ওবিসি তালিকা বাতিল, বিধানসভায় পাশ হল নতুন আইন

বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী বিল। এর ফলে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি হওয়া ওবিসি সংক্রান্ত একাধিক নিয়মে বড় পরিবর্তন আনা হল। একই সঙ্গে ওবিসি তালিকার একটি বড় অংশেও সংশোধন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, নতুন আইন কার্যকর হলে ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও স্বচ্ছ ও আইনসম্মত হবে।অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণমন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় দুটি সংশোধনী বিল পেশ করেন। পরে ধ্বনিভোটে বিল দুটি পাশ হয়ে যায়। একটি বিল পশ্চিমবঙ্গ অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত এবং অন্যটি সরকারি চাকরিতে ওবিসি সংরক্ষণ সংক্রান্ত।নতুন আইনে ওবিসি এ শ্রেণির অধীনে থাকা পঁয়ষট্টিটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় কোনও পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে ওবিসি বি শ্রেণির অধীনে থাকা আটাত্তরটি জনগোষ্ঠীর তালিকায় বড় পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশোধনী বিলে ওই তালিকা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণ সংক্রান্ত আইনের নামও পরিবর্তন করা হয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, ওবিসি হিসেবে কোন শ্রেণি স্বীকৃতি পাবে, তা অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।নতুন ব্যবস্থায় রাজ্য সরকার অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে ওবিসি সংরক্ষণের হার ঠিক করবে। প্রয়োজন হলে সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করে সেই হার পরিবর্তন করা যাবে। তবে তফসিলি জাতি, তফসিলি উপজাতি এবং ওবিসিসব মিলিয়ে মোট সংরক্ষণের পরিমাণ পঞ্চাশ শতাংশের বেশি করা যাবে না।এ ছাড়াও কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে ওবিসি সম্প্রদায়কে সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থার নিরিখে একাধিক ভাগে ভাগ করা যাবে। প্রতিটি ভাগের জন্য আলাদা সংরক্ষণের হারও নির্ধারণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে।সরকারের দাবি, এই সংশোধনের ফলে সংরক্ষণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে এবং নতুন আইন বাস্তবায়নের জন্য অতিরিক্ত কোনও আর্থিক ব্যয়ের প্রয়োজন হবে না।অন্যদিকে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশন সংক্রান্ত সংশোধনী বিলে কমিশনের কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী কমিশনে একজন সভাপতি, তিনজন সদস্য এবং একজন সদস্য-সচিব থাকবেন। সদস্য-সচিব হিসেবে এমন একজন আধিকারিককে নিয়োগ করা হবে, যিনি রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে অন্তত তিন বছর কাজ করেছেন।কমিশনের ক্ষমতাও বাড়ানো হয়েছে। কোনও ব্যক্তি বা সম্প্রদায়কে অনগ্রসর শ্রেণির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, অথবা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করে কমিশন রাজ্য সরকারকে সুপারিশ জানাবে।সরকারের বক্তব্য, এই সংশোধনের মাধ্যমে অনগ্রসর শ্রেণি কমিশনের ভূমিকা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। পাশাপাশি ওবিসি তালিকা তৈরি, সংশোধন এবং সংরক্ষণ নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে কমিশনের ক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হয়েছে।

জুন ২৯, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি বিল ঘিরে তুমুল নাটক! দরজা খুলেও কেন বেরোলেন না কয়েকজন বিধায়ক?

ওবিসি সংক্রান্ত সংশোধনী বিল বিধানসভায় পাশ হওয়ার সময় তৈরি হল নাটকীয় পরিস্থিতি। ভোটাভুটির আগে বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ বিধায়ক ওয়াকআউট করলেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। সেই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।সোমবার বিলটি নিয়ে ভোটাভুটির সময় দেখা যায়, বিরোধী শিবিরের অধিকাংশ সদস্য সভাকক্ষ ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ায় বিধানসভার দরজা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি বলে জানা যায়। পরে পরিষদীয় মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে দরজা খুলে দেওয়া হয়।তবে দরজা খুলে যাওয়ার পরেও কয়েকজন বিধায়ক সভাকক্ষেই থেকে যান। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মোসারফ হোসেন, বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ, বায়রন বিশ্বাস, পান্নালাল হালদার এবং মুরারইয়ের মোসারফ হোসেন। তাঁদের সভাকক্ষে থেকে যাওয়াকে ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে।ঘটনাস্থলে উপস্থিত কুণাল ঘোষকে ওই বিধায়কদের উদ্দেশে কিছু বলতে দেখা যায়। পরে বাহারুল ইসলাম, কাজল শেখ এবং বায়রন বিশ্বাসকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলতেও দেখা যায়। অন্যদিকে দলের প্রবীণ নেতারাও সেই সময় বিধানসভায় উপস্থিত ছিলেন।এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, দরজা বন্ধ থাকার কারণেই কি কয়েকজন বিধায়ক বাইরে যেতে পারেননি, নাকি দরজা খোলার পরেও সভাকক্ষে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁদের নিজস্ব? যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য সামনে আসেনি।শেষ পর্যন্ত ওবিসি সংশোধনী বিলের পক্ষে ভোট পড়ে একশো ছিয়াশি। বিপক্ষে ভোট দেন সতেরো জন সদস্য। ভোটদান থেকে বিরত থাকেন ছয় জন বিধায়ক। বিলটি ধ্বনিভোট এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন নিয়ে বিধানসভায় পাশ হয়ে যায়।

জুন ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal